টবে থানকুনি চাষ

টবে থানকুনি চাষ

ছাদ কৃষির জনপ্রিয়তা বর্তমানে আকাশচুম্বী ।প্রিয় পাঠক,তাই আজ আমরা আলোচনা করবো টবে থানকুনি চাষ পদ্ধতি নিয়ে।সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি ওষধি গাছ হচ্ছে থানকুনি। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় থানকুনি ব্যবহৃত হয়।তাই আজ আমরা এ অতি উপকারী উদ্ভিদের টবে চাষ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।

মাটি তৈরি:
দোআঁশ অথবা বেলে দোআঁশ মাটি সর্বোত্তম। তাই এই মাটি বাছাই করে টব তৈরি করা উচিত। 

টব বাছাই:
ছোট অথাবা মাঝারি সাইজের যেকোন ধরণের পাত্র অথবা টব বাছাই করা যায়।

চাষের সময়:
সারা বছরই বাড়ির চিলেকোঠা বা ছাদে অথবা ঘরের বারান্দায় অথবা বাড়ির আঙ্গিনায় বা উঠোনে চাষ করতে পারেন। 

বীজ বপন ও সেচ:
থানকুনি পাতা সাধারণত দুই ভাবে বংশ বিস্তার করে। একটি হল বীজের মাধ্যমে ও অপরটি হল অঙ্গজ জনন। থানকুনি গাছের প্রতিটি গিট বা node থেকে শিকড় বের হয়। এই শিকড়-সহ লতা এনে টবে অথবা উপযুক্ত পাত্রে স্থাপন করলেই দেখবেন গাছ তৈরি হবে। থানকুনি পাতা জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। তাই পানি দেওয়ার সময় সঠিক নিয়মে পরিমাণ মত পানি দিতে হবে। থানকুনি পাতা আর্দ্র মাটি পছন্দ করে। 

পরিচর্যা:
থানকুনি পাতা চাষের ক্ষেত্রে সর্বদা খেয়াল রাখতে হবে। গাছের গোড়ায় যেন কোন প্রকার আগাছা না জন্মে। আগাছা জন্মালে তা পরিষ্কার করে দিতে হবে। শুকনা ও মরা পাতা ছাটাই করে দিতে হবে। থানকুনি গাছে সঠিক নিয়মে সূর্যের আলো লাগতে দিতে হবে। থানকুনি গাছের টব নিয়মিত বাতাসের সংস্পর্শে রাখতে হবে।  নিয়মিত জৈব সার দিতে হবে। গাছ বেশি বড় হয়ে গেলে কিছু গাছ ছেঁটে নিয়ে অন্য পাত্রে লাগাতে হবে। বেশী লতা হলে কিছুটা ছাটাই করতে হবে। 

Comments are closed.