পুঁইশাক এর উপকারিতা

0

এখনকার সময়ে পুঁইশাক আমাদের দেশের জনপ্রিয় এবং বেশ সুস্বাদু একটি শাক।আজকে আমরা আলোচনা করব পুঁইশাক এর উপকারিতা নিয়ে। যা আমাদের দেহের খুবই প্রয়োজনীয়। যেটি আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।সবজি বাজারে প্রায় সারবছরই পুঁইশাকের দেখা  মিলে।

এই শাক নানাভাবে রান্না বা তরকারি করে খাওয়া যায়। ইলিশ-পুঁই ও চিংড়ি-পুঁই ও বিভিন্ন তরকারি পুইশাক দিয়ে অনেকের অতি প্রিয় তরকারি। সবুজ ও লাল-এই দুই রঙের হয়ে থাকে পুঁইশাক। পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘বি`, ‘সি` ও ‘ডি` পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং আয়রণ আছে। নানা রকম ভিটামিন সমৃদ্ধ এই শাকটি একদিকে যেমন বহুবিধ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে, অন্যদিকে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ও সুন্দর রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজলভ্য বলে এই শাক কম-বেশি সবার কাছে প্রিয়।

পুঁইশাকের পুষ্টিগুণের কারণে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। আসুন এবার জেনে নিই পুঁই শাকের উপকারিতা সম্পর্কে-

পুঁইশাক এর গুণঃ

বই পুস্তক এ আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।
পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বাইরে যেতে সাহায্য করে।
পুঁইশাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ এবং সি, যা ত্বকের রোগজীবাণু দূর করে, শারীরিক বৃদ্ধিতে দ্রুত  সাহায্য করে, চোখের দ্রুত দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে সেই সাথে চুলকেও মজবুত রাখে।

নিয়মিত পুঁইশাক খেলে পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম এবং সুস্থ থাকে আপনার দেহ।পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণ আঁশ থাকে যা পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
যারা ব্রণের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পুঁইশাক খুব ই উপকারি।

পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এই শাক রোগ প্রতিরোধে বেশ  ভুমিকা পালন করে।
পুঁইশাক দেহ থেকে সঠিক ভাবে বর্জ্য নিষ্কাশন করে বদহজম এবং অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা দূর করে।
পুঁইশাকের আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ। দেহের কোনো অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ফুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় বেটে লাগালে দ্রুত উপশম হয়।


শরীরে খোসপাঁচড়া কিংবা ফোড়ার মতো অনাবশ্যক সংক্রমণের বিরুদ্ধেও লড়তে পারদর্শী পুঁইশাক।
তাছাড়াও হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে  এর জুড়ি নেই। যাদের প্রায় প্রতিদিনই মাথাব্যথা থাকে, নিয়মিত পুঁইশাক খেলে তারা উপকার পাবেন খুব দ্রুত।

তাই পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সচেতনতায় প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুঁইশাক রাখুন। প্রতিদিন সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে থাকুন এবং সুস্থ থাকন।

ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য। 

Leave A Reply

Your email address will not be published.